বিড়াল স্বভাবগতভাবেই খাবারের ব্যাপারে একটু চূজি বা খামখেয়ালী হতে পারে। কিন্তু আপনার আদরের বিড়ালটি যদি হঠাৎ করেই তার নিয়মিত খাবার খাওয়া একদম বন্ধ করে দেয় বা খাবারে চরম অরুচি দেখায়, তবে সেটি বেশ চিন্তার বিষয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বিড়ালের এই খাওয়া বন্ধ করে দেওয়াকে 'অ্যানোরেক্সিয়া' (Anorexia) বলা হয়। এটি কোনো সাধারণ ঘটনা নাও হতে পারে। নিচে
বিষয়টি সম্পর্কে
বিড়ালের খাবারে হঠাৎ অরুচি কেন? জেনে নিন প্রধান কারণ, লক্ষণ ও সমাধান
বিড়াল স্বভাবগতভাবেই খাবারের ব্যাপারে একটু চূজি বা খামখেয়ালী হতে পারে। কিন্তু আপনার আদরের বিড়ালটি যদি হঠাৎ করেই তার নিয়মিত খাবার খাওয়া একদম বন্ধ করে দেয় বা খাবারে চরম অরুচি দেখায়, তবে সেটি বেশ চিন্তার বিষয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বিড়ালের এই খাওয়া বন্ধ করে দেওয়াকে 'অ্যানোরেক্সিয়া' (Anorexia) বলা হয়। এটি কোনো সাধারণ ঘটনা নাও হতে পারে। নিচে
সাধারণ পর্যবেক্ষণ
পোষা প্রাণীর আচরণ, খাবার ও পানি গ্রহণ, ঘুম, মল-মূত্র এবং স্বাভাবিক চলাফেরায় কোনো পরিবর্তন হচ্ছে কি না শান্তভাবে লক্ষ্য করুন। কখন শুরু হয়েছে, কতবার হচ্ছে এবং নতুন খাবার, পরিবেশ বা দৈনন্দিন রুটিনে কোনো পরিবর্তন হয়েছিল কি না লিখে রাখলে ভেটেরিনারিয়ানকে সঠিক তথ্য দেওয়া সহজ হয়। একটি লক্ষণ দেখে নিজে রোগ নির্ণয় করা নিরাপদ নয়।
নিরাপদ তাৎক্ষণিক যত্ন
প্রাণীটিকে শান্ত, পরিষ্কার ও আরামদায়ক জায়গায় রাখুন এবং নিরাপদ হলে স্বাভাবিকভাবে পরিষ্কার পানি পাওয়ার সুযোগ দিন। জোর করে খাবার বা পানি দেবেন না। ভেটেরিনারিয়ানের নির্দেশ ছাড়া মানুষের ওষুধ, অ্যান্টিবায়োটিক, ব্যথার ওষুধ, ঘরোয়া মিশ্রণ বা অন্য প্রাণীর ওষুধ ব্যবহার করবেন না।
জরুরি সতর্কতা
শ্বাস নিতে কষ্ট, অচেতনতা, খিঁচুনি, বিষাক্ত কিছু খাওয়ার সন্দেহ, প্রস্রাব একেবারে বন্ধ, অনিয়ন্ত্রিত রক্তপাত, বারবার বমি বা পাতলা পায়খানা, তীব্র ব্যথা, দ্রুত দুর্বল হয়ে যাওয়া অথবা অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে অপেক্ষা না করে নিকটস্থ জরুরি ভেটেরিনারি সেবায় যোগাযোগ করুন।
ভেটেরিনারিয়ানের পরামর্শ নিন
এই লেখা সাধারণ সচেতনতার জন্য; এটি রোগ নির্ণয়, প্রেসক্রিপশন বা ব্যক্তিগত চিকিৎসা পরামর্শ নয়। লক্ষণ স্থায়ী হলে, বারবার হলে বা আপনাকে উদ্বিগ্ন করলে নিবন্ধিত ভেটেরিনারিয়ানের সরাসরি পরীক্ষা ও পরামর্শ নিন।
