বিড়াল পোষার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবাগুলোর একটি হলো নিয়মিত কৃমির ওষুধ খাওয়ানো বা ডিওয়ার্মিং (Deworming) করা। বিড়াল খুব সহজেই তাদের মায়েদের দুধ থেকে, ঘরের মেঝে, জুতা-স্যান্ডেল কিংবা ফ্লি বা উকুনের মাধ্যমে কৃমিতে আক্রান্ত হতে পারে। পেটে অতিরিক্ত কৃমি হলে বিড়ালের পুষ্টিহীনতা, রক্তশূন্যতা এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাই বিড়ালকে সুস্থ রাখতে কতদিন পর পর কৃমির ওষুধ দিতে হবে এবং এর লক্ষণগুলো কী কী, তা বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো। বিড়ালের পেটে কৃমি হওয়ার প্রধান লক্ষণসমূহ (Symptoms): বিড়ালের পেটে অতিরিক্ত কৃমি হলে শরীরে সাধারণত নিচের লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়: বিড়ালের কৃমির ওষুধ দেওয়ার সঠিক সময়সূচী (Deworming Schedule): বিড়ালের বয়স ও জীবনযাত্রার ওপর ভিত্তি করে কৃমির ওষুধ দেওয়ার নিয়ম আলাদা হয়ে থাকে। নিচে একটি আদর্শ সময়সূচী দেওয়া হলো: